বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও লোডশেডিং কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং আগের তুলনায় লোডশেডিং পরিমাণ বাড়ছে।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) দেশে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। মঙ্গলবারে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৪৯ মেগাওয়াট।
পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অফ বাংলাদেশের (পিজিসিবি) ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) রেকর্ডে এ তথ্য জানা গেছে।
এনএলডিসির রেকর্ডে আরও দেখা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৪৬৮ মেগাওয়াট। তবে বুধবার সকাল ৭টায় বিদ্যুৎ ঘাটতির মাত্রা কমে ৫৪২ মেগাওয়াটে নেমে আসে। দুপুর ৩টায় তা বেড়ে ৮২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে ১৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৪৭৩ মেগাওয়াট।
অন্যদিকে সন্ধ্যায় বিদ্যুতের চাহিদার পূর্বাভাস ছিল ১৬ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। সরবরাহের পূর্বাভাস ছিল ১৬ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা ও অন্য বড় শহরে লোডশেডিং এড়াতে গিয়ে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেড়েছে।
বিভিন্ন এলাকা থেকে পাওয়া সংবাদে জানা যায়, এই গ্রীষ্মে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের মাত্রা গ্রামীণ মানুষের দুর্দশা আরও বাড়িয়ে তুলছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পেট্রোবাংলার সরকারি তথ্যে দেখা যায়, ৩ হাজার ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে দেশে গ্যাস উৎপাদন হয়েছে দৈনিক ৩ হাজার ৫৬ মিলিয়ন ঘনফুট।
ফলে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিশেষ করে যেগুলো প্রাথমিক জ্বালানি হিসেবে গ্যাস ব্যবহার করে, গ্যাস সংকটের কারণে সেগুলোতে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ২ হাজার ৩১৬ দশমিক ৯ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৯ মিলিয়ন ঘটফুট গ্যাস সরবরাহ পেয়েছে।

নাস্তিকের বাচ্চাটা যদি কোনোদিন বাংলাদেশে আসে, তখন মনে রাখিস—তাকে ঠিক সেই হাতে-হাতেই ধরে নিয়ে আসবি
তুই একটা অমানুষ তোর এই দুনিয়াতে জায়গা নেই
ekbar sudhu deshe ay er poore tore jan nia palathe paros kina seta chinta kore dek
তোর পেটে ছুরি ঢুকিয়ে জাস্ট কয়েকটা প্যাচ দিবো তুই খতম।