২০১৯ সালে আবরার ফাহাদ সত্য বলেছিল আর সেই সত্য বলার মূল্য হিসেবে তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ, আর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথ সবখানেই দলীয় ছত্রচ্ছায়ায় বেড়ে উঠেছিল দমন-পীড়নের সংস্কৃতি। আবরারের হত্যার পর প্রশ্ন উঠেছিল: এই সাহস কারা জুগিয়েছিল? ২০২৪ সালে আবু সাঈদ অন্যায়ের সামনে নত হয়নি তাই সে গুলি খেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ট্রিগার টানার পেছনে যে রাজনৈতিক প্রশ্রয় কাজ করে, তা আর অজানা নয়। যখন ক্ষমতাসীন দল প্রতিবাদকে শত্রু ভাবে, তখন রাষ্ট্রযন্ত্র নিজেই অস্ত্র হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালে উসমান হাদি ভয় পায়নি তাই সে লাশ হয়েছে। ভয়হীন তরুণরা সব শাসনের জন্যই অস্বস্তিকর, কিন্তু আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই অস্বস্তির জবাব এসেছে বুট, গুলি আর লাশ দিয়ে। প্রশ্ন তোলাই যখন অপরাধ হয়, তখন হত্যাও নীতিতে পরিণত হয়। এই তিনটি মৃত্যু বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এগুলো একটি ধারাবাহিকতার অংশ—যেখানে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হয়েছে। দলীয় রাজনীতি আর রাষ্ট্রের সীমারেখা মুছে গেলে বিচার থেমে যায়, আর দায় জন্মায় শীর্ষে। একটা ফুল ছিঁড়ে নেওয়া যায়, কিন্তু বসন্তকে গুলি করে মারা যায় না। আবরার, সাঈদ, উসমান তারা নাম মাত্র নয়, তারা প্রমাণ যে ভয় দেখিয়ে ইতিহাস থামানো যায় না। যে রাজনৈতিক শক্তি সন্তানের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়, ইতিহাস একদিন তাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেই। বিচার দেরি হতে পারে, কিন্তু দায় এড়ানো যায় না।
আমরা জানি কিভাবে মুখ আর লেখা বন্ধ করতে হয়!দেশে থাকলে ত অনেক আগে তোর মুখ আর হাত বন্ধ করে দিতাম
আমরা বসন্ত কে গুলি করতে পারি এবং নিশ্চিহ্ন করতে জানি। আমাদের তোকে গুলি করে শেষ করতে সময় লাগবেনা শুধু একবার দেশে আয়!
ঠিক ধরেছিস, ৩ টা মৃত্যু বিচ্ছিন্ন ঘটনা না তারপর তোর টাও এক সুত্রে বাধা হবে।
আচ্ছা তোকে খুন করানোর পর তোর নিউজ টা কি তোর ব্লগ থেকে পাবে সবাই???