একজন হুজুর একবার বললেন, “বিশ্বকাপ মহাপাপ। বিশ্বকাপের খেলা দেখাও গুনাহ, আবার খেলা খেলাও গুনাহ।” এরপর থেকেই একটি প্রশ্ন সামনে আসে। আমাদের দেশের অসংখ্য মানুষ ফুটবল ভালোবাসে, আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের মতো প্রিয় দলকে সমর্থন করে। তারা নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে প্রিয় দলের পতাকা তৈরি করে, বাড়ির ছাদে বা এলাকায় টাঙায়। এটি তাদের কাছে নিছকই একটি খেলার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
কিন্তু এরপর আমরা এমন কিছু ঘটনার কথা শুনেছি ও দেখেছি, যেখানে কিছু দাড়িওয়ালা ও টুপি পরিহিত ব্যক্তি “আল্লাহু আকবার” ধ্বনি দিয়ে মানুষের টাঙানো বিভিন্ন দেশের পতাকা টেনে ছিঁড়ে ফেলেছেন। একই সময়ে দেখা যায়, সাদা কাপড়ের ওপর কালো অক্ষরে কালেমা লেখা একটি পতাকা বিভিন্ন স্থানে উত্তোলন করা শুরু হয়। তারা প্রচার করতে থাকে, “আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিল বিধর্মী দেশের পতাকা। এসব পতাকা না উড়িয়ে কালেমার পতাকা উড়াও।” ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের পতাকা দেখা যেতে শুরু করে।
আরও একটি বিষয় মানুষের নজরে আসে। গভীর রাতে অনেক জায়গায় এসব পতাকা লাগানো হতো। কেউ প্রশ্ন করলে বলা হতো, এগুলো কোনো না কোনো মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা লাগিয়েছে। কিন্তু তখন স্বাভাবিকভাবেই একটি প্রশ্ন ওঠে। আমাদের দেশের অধিকাংশ কওমি বা অন্যান্য মাদ্রাসা তো সাধারণ মানুষের অনুদানে পরিচালিত হয়। অনেক সময় দেখা যায়, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা প্রতিনিধিরা অনুদানের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে যান। তাহলে এত বিপুল সংখ্যক পতাকা এক রাতের মধ্যে তৈরি, পরিবহন ও বিভিন্ন স্থানে টাঙানোর জন্য অর্থের উৎস কোথায়?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা জরুরি। যদি কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিদেশি উৎস থেকে অর্থায়ন হয়ে থাকে, তবে সেটি অবশ্যই তদন্তের বিষয়। আগে যেসব পতাকা কালো পটভূমিতে সাদা অক্ষরে দেখা যেত, পরবর্তীতে একই ধরনের নকশা সাদা পটভূমিতে কালো অক্ষরে দেখা যেতে শুরু করে। রং বদলালেও উদ্দেশ্য বা বার্তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এ ধরনের ঘটনা নিয়ে দেশে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও উদ্বেগ রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের কাছে আবেদন থাকবে, বিষয়টি নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিকভাবে তদন্ত করা হোক। যদি কোনো সংগঠন বেআইনি কার্যক্রম, উসকানিমূলক প্রচারণা বা বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক সম্প্রীতি কিংবা জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সবশেষে আবারও একটি প্রশ্ন থেকেই যায়, যদি কেউ প্রকাশ্যে বলে যে “একটি পতাকা ছিঁড়ে ফেললে আমরা দশটি নতুন পতাকা লাগাব,” তাহলে সেই বিপুল অর্থ কোথা থেকে আসছে? এই অর্থের উৎস কী? বিষয়টি নিয়ে যথাযথ তদন্ত ও অনুসন্ধান হওয়া প্রয়োজন, যাতে সত্য উদঘাটিত হয় এবং কোনো গুজব বা বিভ্রান্তির পরিবর্তে প্রমাণভিত্তিক তথ্য জনগণের সামনে আসে।
তুই বেজন্মা ইহুদি আল্লাহ খোদা মানিস না। দেশে আয় তোর কোরবানি দিব
এই বিচ, তোর সাহসের অনেক বেড়ে গেছে। তোরে জানে মেরে না ফেললে হবে না।
নারীর দালাল, বেহেল্লাপনা প্রমোট করিস। তোর জায়গায় কবরের হবেনা
দেশের স্বার্থে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের নিরপেক্ষ উত্তর পাওয়া দরকার। ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।